সোনারগাঁওয়ের রাহেলা বেগম যখন প্রথম ff0000-এর কথা শুনেছিলেন, তখন তার মনে প্রথম প্রশ্ন ছিল — এটা কতটা নিরাপদ? মোবাইলে টাকা লেনদেন করতে হবে, তাই স্বাভাবিকভাবেই একটু ভয় ছিল। কিন্তু তার পরিচিত একজনের পরামর্শে ছোট একটা পরিমাণ দিয়ে শুরু করেছিলেন।
রাহেলার সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল ক্রিকেটের প্রতি তার গভীর আগ্রহ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রতিটি ম্যাচ সে মনোযোগ দিয়ে দেখেন, খেলোয়াড়দের ফর্ম সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা রাখেন। এই জ্ঞানটাকেই তিনি ff0000-এ কাজে লাগিয়েছেন।
"প্রথমে মাত্র ৫০০ টাকা জমা দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম যদি হারিও, ক্ষতি কম। কিন্তু ff0000-এর স্বাগত বোনাসে আরও ৫০০ টাকা পেলাম। সেটা দিয়ে খেলতে খেলতে ধীরে ধীরে শিখে গেলাম।"
— রাহেলা বেগম, সোনারগাঁওরাহেলার কৌশলটা ছিল সহজ — ছোট ছোট বাজি ধরা, এবং একটা ম্যাচে হারলে পরের ম্যাচে সেই পরিমাণ বাড়িয়ে না দেওয়া। এই শৃঙ্খলাটা অনেক নতুন খেলোয়াড় মানতে পারেন না, কিন্তু রাহেলা পেরেছিলেন। প্রথম মাসে তিনি মূলত পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করেছেন — প্ল্যাটফর্মটা বোঝা, কোন ধরনের বাজিতে তিনি ভালো করছেন সেটা বুঝে নেওয়া।
দ্বিতীয় মাসে আইপিএল শুরু হলে রাহেলা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। এই সময়ে ff0000-এর বেটিং টিপস পেজটাও তিনি নিয়মিত পড়তে শুরু করেন। তৃতীয় মাসে পয়েন্ট যখন গোল্ড থ্রেশহোল্ড পার করল, তখন ff0000 থেকে নোটিফিকেশন এলো — তিনি গোল্ড ভিআইপি হয়েছেন।
গোল্ড হওয়ার পর থেকে তার একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার হয়েছেন। সপ্তাহের মাঝে যদি কোনো বিশেষ ম্যাচে বাজি ধরতে গিয়ে কোনো সমস্যা হয়, ম্যানেজারকে মেসেজ করলে দ্রুত সমাধান মেলে। এই সুবিধাটার কথা বলতে গিয়ে রাহেলা বলেন, এটাই তাকে ff0000-এ রেখেছে।